আজকের শিশু কিশোর তরুণেরাই ভবিষ্যতে দেশ ও জাতির কর্ণধার। এদের গভীরে লুকিয়ে রয়েছে অশেষ সম্ভাবনা ও বিপুল সৃজনী প্রতিভা। কোমলমতি শিক্ষার্থীর অভ্যন্তরে স্ফুটনোম্মুখ মেধার সুষ্ঠু বিকাশ ও তার বহুমুখী সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচনের জন্য যথোপযুক্ত মাধ্যম প্রয়োজন। প্রতিষ্ঠানের বার্ষিকী এই অভাব অনেকাংশে পূরণ করে। শিক্ষার্থীর জন্য আত্মবিকাশের এমন একটি চমৎকার সুযোগ প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ দিতে পারছে বলে আমি গর্ববোধ করছি। একটি বার্ষিকী হল একটি প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক কর্মকান্ডের দর্পণ।
প্রতিষ্ঠান প্রধানের বাণী
পৃথিবী আজ হাতের মুঠোয়। অগ্রযাত্রার এ মিছিলে সামিল না হতে পারলে আমাদের ঠিকানা হবে দূরতিক্রমনীয় এক প্রাচীর পশ্চাতে। তখন কূপমন্ডূকের মত বদ্ধ বলয়ে নিরন্তর মাথা ঠোকাঠুকি। নিশ্চয়ই আমরা নিজেদেরকে এমন বেহালদশা দেখতে চাই না। তাই এসো নবীন, ঝাঁপিয়ে পর অসীম জ্ঞান সমুদ্রে।